একজন কর্পোরেট ব্যাংকার যিনি Sajdah Academy-র Foundation Program-এ ভর্তি হয়েছিলেন। আজ কোথায় আছেন।
রাকিব ছিলেন ঢাকার একটি বহুজাতিক ব্যাংকের অ্যাসিস্ট্যান্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট। বয়স ৩২। চমৎকার বেতন, প্রিমিয়াম গাড়ি, একটি সুন্দর পরিবার। কিন্তু ভেতরে শূন্যতা।
"প্রতিদিন আমি নিজেকে জিজ্ঞেস করতাম — এই সব করে আমি কোথায় যাচ্ছি? জুমুআহর সালাত পড়তাম, রমাদানে রোজা রাখতাম। কিন্তু আল্লাহর সাথে সংযোগ ছিল না।"
২০২৫ সালের পাইলট ব্যাচে রাকিব Foundation Program-এ যোগ দিলেন। প্রথম সপ্তাহান্তেই কিছু পরিবর্তন শুরু হলো।
"প্রথম রাতে যখন তাহাজ্জুদে দাঁড়ালাম — ৪০ জন ভাইয়ের সাথে — মনে হলো জীবনে প্রথমবার আমি সত্যিই দাঁড়িয়েছি। সবাই কাঁদছেন। আমি কাঁদছি। এই অশ্রু আমার জীবনের সবচেয়ে মূল্যবান সম্পদ।"
৬ মাস পর রাকিবের জীবন আমূল বদলেছে। তাহাজ্জুদ এখন তাঁর ফরজ — মিস হয় না। ঘুষের অফার পেলে তিনি আজ "না" বলতে পারেন। স্ত্রী-সন্তানের সাথে কোয়ালিটি সময় কাটান। প্রতিদিন কুরআনের ১ পৃষ্ঠা তাফসীরসহ পড়েন।
"Sajdah Academy আমাকে দ্বীন শেখায়নি — দ্বীনকে আমার জীবনের কেন্দ্রে স্থাপন করেছে।"
